Skip to content

হিমুর দ্বিতীয় প্রহর – Himur Ditiyo Prohor Pdf Download

Himu Series
Himur ditiyo prohor pdf download

হিমুর দ্বিতীয় প্রহর – হুমায়ূন আহমেদ

নন্দিত কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের সৃষ্ট চরিত্রগুলোর মধ্যে হিমু অন্যতম। হিমু সিরিজের প্রথম বই হলো ময়ূরাক্ষী (১৯৯০)। প্রাথমিক সাফল্যের পর হিমু চরিত্র বিচ্ছিন্নভাবে হুমায়ুন আহমেদের বিভিন্ন উপন্যাসে প্রকাশিত হতে থাকে। হিমু সিরিজের বইগুলোর মধ্যে হিমুর দ্বিতীয় প্রহর একটু ব্যতিক্রম। এই উপন্যাসে হিমুর সাথে দেখা হয় হুমায়ূন আহমেদের আরও একটি বিখ্যাত চরিত্র মিসির আলির। হিমুর দ্বিতীয় প্রহর উপন্যাসটি হিমু চরিত্রের ৭ম উপন্যাস। বইটি ১৯৯৭ সালের বইমেলায় প্রকাশিত হয়। বইটি প্রকাশনা হলো কাকলী প্রকাশনী। ১৬৮ টি পাতার বইটি ডাউনলোড করতে পারবেন অথবা অনলাইনে পড়তেও পারবেন।

হিমু এবং মিসির আলি মুখোমুখি হয় কোন বইয়ে?

হিমু এবং মিসির আলি মুখোমুখি হয় হিমুর দ্বিতীয় প্রহর বইয়ে। এ নিয়ে হুমায়ূন আহমেদ বলেনঃ

“অনেকদিন থেকেই ভাবছিলাম হিমুর সঙ্গে মিসির আলির দেখা করিয়ে দিব। দুজন মুখোমুখি হলে অবস্থাটা কি হয় দেখার আমার খুব কৌতূহল। ম্যাটার এবং এন্টিম্যাটার একসঙ্গে হলে যা হয় তার নাম ‘শূন্য’। মিসির আলি এবং হিমুওতো এক অর্থে ম্যাটার এবং এন্টিম্যাটার। দুটি চরিত্রের ভেতর কোনটিকে আমি বেশী গুরুত্ব দিচ্ছি সেটা জানার জন্যও এদের মুখোমুখি হওয়া দরকার। হিমুর দ্বিতীয় প্রহরে এদের মুখোমুখি করিয়ে দিলাম। হুমায়ূন আহমেদ।”
(২৫-০২-১৯৯৭)
বইটি ডাউনলোড করে পড়ুন কিভাবে এবং কোথায় তাদের দেখা হলো। চমৎকার ভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে তাদের দুজনকে। মিস করবেন না। পড়ে না থাকলে এখনি পরে ফেলুন।

উৎসর্গ

বইটি উৎসর্গ করা হয় জাহিদ হাসানকে। উৎসর্গ পাতায় লেখক লিখেনঃ

“ জাহিদ হাসান, প্রিয় মানুষ হিসেবে সে আমাকে মুগ্ধ করেছে, একদিন হয়তো অভিনয় দিয়েও মুগ্ধ করবে। (দ্বিতীয় বাক্য দিয়ে তাকে রাগিয়ে দিলাম, হা হা হা।) ”

হুমায়ূন আহমেদ

হিমুর দ্বিতীয় প্রহর উক্তি

” পৃথিবীতে বেঁচে থাকতে হলেপ্রতি পদে পদে মায়াকে তুচ্ছ করতে হয়। “

হিমুর দ্বিতীয় প্রহর, হুমায়ুন আহমেদ।

” যা পাওয়া যায় না তার প্রতি আকর্ষন বেড়ে যায়। “

হিমুর দ্বিতীয় প্রহর, হুমায়ুন আহমেদ।

হুমাইয়ূন আহমেদের আরো উক্তি দেখতে ক্লিক করুন

পূর্ণিমার প্রথম চাঁদ হলুদ বর্ণের থাকে। আকারেও সেই হলুদ। চাঁদটাকে খুব বড় লাগে। যতই সময় যায় হলুদ রঙ ততই কমতে থাকে। একসময় চাঁদটা ধবধবে সাদা হয়ে আবারও হলুদ হতে থাকে। দ্বিতীয়বার হলুদ হবার প্রক্রিয়া শুরু হয় মধ্যরাতের পর। আজ আমার যাত্রা মধ্যরাতে। আমি আবারও চাঁদ দেখার চেষ্টা করলাম। কী দেহেন? আমি চমকে প্রশ্নকর্তার দিকে তাকালাম। বুপড়ির মতো জায়গায় মেয়েটা বসে আছে। নিশিকন্যাদের একজন। যে-গাছের গুড়িতে সে হেলান দিয়ে আছে সেটা একটা কদমগাছ। আমার প্রিয় গাছের একটি। রুবিয়েসি পরিবারের গাছ। বৈজ্ঞানিক নাম এনথোসেফালাস কাদাম্বা। গাছটা দেখলেই গানের লাইন মনে পড়ে—বাদল দিনের প্রথম কদম ফুল করেছ দান।

হিমুর দ্বিতীয় প্রহর, হুমায়ুন আহমেদ।

Leave a Reply

Your email address will not be published.