চাষাবাদ – শামসুর রাহমান এত পথ হেঁটে এসে কেন তুমি থমকে দাঁড়ালে? দেখছো কি নিভৃত আড়ালে সহসা এমন কিছু যা শোণিতে ছড়ায় নিমেষে অজস্র তুষার কণা অথবা চতুর ছদ্মবেশে দাঁড়ায় নিকটে এসে আতঙ্ক ভয়াল? নাকি কোনো মন্থর ময়াল পথ রোখে... Read more
চারটি স্তবক – শামসুর রাহমান কুয়োর শীতল জল আঁজলায় নিয়ে সন্ধেবেলা চেয়ে থাকি কিছুক্ষণ; জলে কার মুখ ভেসে ওঠে। পাখির চিৎকার শুনি, ভাঙে শীতল জলের খেলা অকস্মাৎ, অদূরে কোথাও শরমিলা ফুল ফোটে। ২ তোমার সঙ্গে আমার দেখা হয়নি কোনো কুয়োতলায়... Read more
চায়ের দোকানে বসে – শামসুর রাহমান চায়ের দোকানে বসে মেঘলা সন্ধ্যায় অকস্মাৎ সাধ হয় রবীন্দ্রনাথের মতো চুলদাড়ি রেখে প্রেমিক সন্ন্যাসী হয়ে রূপোর মতোন কিছু ভস্ম আলতো বুলিয়ে দিই রুক্ষ জীবনের গালে। আমারও মুখমণ্ডলে উপনিষদের আভা বেশ মিশ্চিন্ত করুক খেলা সারাবেলা,... Read more
চাঁদ সদাগর – শামসুর রাহমান আমি কি এখন সত্যি বেঁচে আছি? না কি জীবন্মৃত পড়ে আছি বিড়ম্বিত মাস্তুলের মতো। বণিকের খ্যাতি আছে কিছু টিকে, অথচ যাই না বাণিজ্যেতে কতকাল, কতকাল সপ্তডিঙ্গা ভাসে না তরঙ্গে সমুদ্রের জ্বলজ্বলে প্রাসাদের মতো হা আমার... Read more
চলেও আসতে পারে – শামসুর রাহমান কী-যে হলো, কোলাহল শুনে নিভাঁজ নিভৃতি ছেড়ে বেরিয়ে পড়েছিলাম খোলা পথে একদা আমিও, দীর্ঘকাল বিষাদে বাঁশিটি ফেলে রেখে এক কোণে ঘুরপথে কায়ক্লেশে এসেছি বলে কি প্রত্যাখ্যাত ফিরে যাব ম্লান মুখে? তাকাবে না পথভ্রষ্ট এই... Read more
