তবু তাকেই – শামসুর রাহমান কে আমাকে দিন দুপুরে রাত দুপুরে কাপড় কাচার মতো ক’রে নিঃড়ে নিচ্ছে? আমার মেদ আমার মজ্জা শুষে নিচ্ছে? কে আমাকে এভাবে রোজ কষ্ট দিচ্ছে? কে আমাকে পাগল-করা নিঝুম সুরে ঘর ছড়িয়ে পথের ধারে দিচ্ছে ঠেলে?... Read more
তট ভাঙার জেদ – শামসুর রাহমান বলতে ভাল লাগে, আমার পূর্বপুরুষগণ মেঘনা নদীর তীরবর্তী পাড়াতলী গাঁয়ের বাসিন্দা ছিলেন। তাঁদের ছোট বড় কুঁড়ে ঘর এখন নিশ্চিহ্ন, কিন্তু পুকুর আর পাকা মসজিদটি আজ অব্দি রয়ে গেছে সগৌরবে। আমার পিতার সৃষ্ট একটি দালান... Read more
তখনই হঠাৎ – শামসুর রাহমান তোমার সান্নিধ্যে কিছুকাল অলৌকিক সরোবরে কেটেছি সাঁতার, অকস্মাৎ শেষ হলো জলকেলি, যেমন কেবল আলাপেই সাঙ্গ করেন সঙ্গীত কোনো গুণী কী খেয়ালে। জানতাম, বিদায়ের পালা আসবেই একদিন হৃদয়ে ছড়িয়ে রাশি রাশি তেজস্ক্রিয় ছাই, কিন্তু এত তাড়াতাড়ি... Read more
তক্ষক – শামসুর রাহমান আমার ঘরে ডাকে, রাত্রিদিন ডাকে ভয়াল সুরে এক চতুর তক্ষক। স্বস্তি নেই মনে, ঘুরছি এলোমেলো, অথচ সে-ই নাকি আমার রক্ষক! নানান ছলে তার সঙ্গে অবিরাম খুঁজছি বস্তুত সুযোগ সন্ধির। ভীষণ তার ডাকে নিয়ন্ত্রিত আমি, বাস্তবিক এ... Read more
ঢের পথ ঘুরে এক হ্রদের কিনারে – শামসুর রাহমান ঢের পথ ঘুরে এক হ্রদের কিনারে এসে বসি সন্ধেবেলা শারীরিক ক্লান্তি মুছে ফেলে শান্তির শীতল স্পর্শে ডুবে যাওয়া খুব সহজেই হবে- এমন ধারণা খেলা করছিল কিছুক্ষণ থেকে। ফলত হ্রদের দিকে তাকাই... Read more
