তিনজন ঘোড়সওয়ার – শামসুর রাহমান তিনজন ঘোড়সওয়ার সারাদিন অনেক এবড়ো খেবড়ো পথ পেরিয়ে ঘোর সন্ধ্যাবেলা এসে পৌঁছলো ঢের পুরনো এক দালানের সামনে। ঘোড়াদের পিঠ থেকে নেমে বেঁধে ওদের গাছের ডালে বেঁধে দালানে প্রবেশ করেই গা ছমছমিয়ে ওঠে তাদের। পরস্পর মুখের... Read more
তিনজন – শামসুর রাহমান জ্যোৎস্নার আদর খেয়ে চিতাবাঘ শোভার ভেতর নিভৃতে ঘুমায়। অকস্মাৎ খস্ খস্ শব্দে লাফাবার ভঙ্গি রচিত, দু’চোখ ফস্সরাসের কণা ছড়ায়, আঁধার শিহরণের নববধূ, পেশী টান টান, জ্যোৎস্না পান ক’রে তার সমগ্র সত্তায় মদিরতা জেগে ওঠে, পরিপক্ক নিশীথের... Read more
তিন যুগ পর – শামসুর রাহমান অকস্মাৎ অন্ধকারে একটি পুরনো কোঠাবাড়ি তাকালো আমার প্রতি চোখ মেলে। বাড়িটার ঘ্রাণ বাড়ে ক্রমাগত, দেখি বর্ষিয়সী নারী, পরনে নিঝুম শাড়ি, অত্যন্ত সফেদ, যেন অই আসমান দিয়েছে মহিমা তার সমগ্র সত্তায়। তাকে চিনি মনে হয়,... Read more
তারও মন – শামসুর রাহমান নদীর উর্মিল বেগ পেশীতে পেশীতে; প্রতিদিন, ছুটিছাটা বাদে, নিয়মমাফিক যায় কারখানায় এবং কলের পাকে স্বেদসিক্ত ঘুরপাক খায়- যেমন দেখেছি ফিল্ম-এ মজাদার চার্লি চ্যাপলিন ঘুর্ণ্যমান, চক্রাকারে হয়ে যান নিজেই মেশিন। বাজলে ছুটির বাঁশি ফ্যাক্টরি-গহ্বর ছেড়ে ছুড়ে... Read more
তার উদ্দেশেই ন্যস্ত – শামসুর রাহমান এখনো আমার কবিতার যারা আগ্রহী পাঠক আর যারা কখনো ছুঁয়েও দ্যাখেন না এইসব পঙ্ক্তিমালা, তাদের জরুরি মূল্যবান কলরব স্তব্ধতায় ঝিমোলে খানিক, মুছে ফেলে কিছু ছক আমার কবিতা এই ক্রান্তিকালে গূঢ় পর্যটক নান্দনিক ভূমণ্ডলে। জীবনের... Read more
