তিনটি হাঁস এবং পিতামহ – শামসুর রাহমান রাস্তার লোকটা সেই তিনটি নিস্তব্ধ হাঁস রেখে চলে গেলো, প্রায় কিছু না বলেই লম্বাটে পা ফেলে অন্তর্হিত; যেন বোবা, ক্ষমাপ্রার্থী হয়তোবা। দেখি স্কুটার-দলিত শাদা-লাল হাঁসগুলো বারান্দার কংক্রীটে নিঃসাড় চঞ্চু রেখে নির্বিকার পড়ে আছে... Read more
তিনটি স্তবক – শামসুর রাহমান এই তো বৃষ্টি ছাঁট আর ঝোড়ো হাওয়া ময়লা আকাশটাকে ঝাঁট দিয়ে গেল। বসে আছি ঘরে বড় একা; নিজের ভেতরে এক আরশিনগরে কারো ছায়া পড়ে বলে মনে হয়। পড়শির সঙ্গে দেখা। যথারীতি জমে যাবে মাদারির খেল।... Read more
তিনটি বালক – শামসুর রাহমান রুটির দোকান ঘেঁষে তিনটি বালক সন্তর্পণে দাঁড়ালো শীতের ভোরে, জড়োসড়ো। তিন জোড়া চোখ বাদামি রুটির দীপ্তি নিল মেখে গোপন ঈর্ষায়। রুটিকে মায়ের স্তন ভেবে তারা, তিনটি বালক তৃষিত, আত্মাকে সঁপে সংযত লোভের দোলনায়, অধিক ঘনিষ্ঠ... Read more
তিনটি ঘোড়া – শামসুর রাহমান তিনটি শাদা ঘোড়া বাতাসে দেয় লাফ, বন্য কেশরের জ্বলছে বিদ্যুৎ। চোখের কোণে কাঁপে তীব্র নরলোক, তিনটি শাদা ঘোড়া বাতাসে দেয় লাফ। আকাশে মেঘদল সঙ্গ চায় বুঝি, মাটির নির্ভর উঠছে দুলে শুধু। বাতাসে ঝলমল মুক্ত তলোয়ার,... Read more
তিনজন যুবকের গর্জে ওঠা – শামসুর রাহমান (হরিপদ দত্ত প্রিয়বরেষু) চোখের সম্মুখে আমি বড়সড় একটি বাড়িকে অতি দ্রুত খসে যেতে দেখছি এখন। এমন তো ভুলেও ভাবিনি কোনওকালে। বেশ কিছুকাল আগে, যখন সৌন্দর্য নিয়ে বাড়িটিকে দাঁড়াতে দেখেছি, করেছি কত না গল্প... Read more
