দিব্যোন্মদ – শামসুর রাহমান মানি অর্ডার ফর্মে একটি প্রেমের কবিতার খসড়া। দু’তিনটি পঙ্ক্তির পর কিছু কাটাকুটি, তারপর কয়েকটি পঙূক্তি। শেষের দিকের বাক্যটি অসমাপ্ত। নিজের হস্তাক্ষর সে নিজেই বুঝতে ব্যর্থ। হঠাৎ এক সময় ওর মনে হয়, সে তো একজন নয়, নানা... Read more
দিন রাত্রি – শামসুর রাহমান প্রতিদিন ভোরবেলা ঘুম ভাঙে, চেনা পৃথিবীর রূপ ভেসে ওঠে পুনরায়, দেখি কিছু পাখি জমায় সুরেলা আড্ডা, একজন বেড়াল একাকী উঠোন পেরিয়ে যায়- ভোরের সৌন্দর্য কী নিবিড় মনে হয়। দুপুর কাচের মতে চকচকে, ভিড় বাড়ে জনপথে,... Read more
দিগন্তের বুক চিরে – শামসুর রাহমান কখনও কখনও আমি একান্তে নিজেকে বিশ্লেষণ করার ইচ্ছায় গৃহকোণে চেয়ারে হেলান দিয়ে বসি, আকাশ-পাতাল ভাবি, এলোমেলো অনেক ভাবনা আমাকে বিব্রত করে। বুকশেলফ থেকে বই টেনে নিই দুশ্চিন্তার মাকড়সা-জাল থেকে মুক্তি পেতে। তবুও নিস্তার নেই... Read more
দালান – শামসুর রাহমান আমার বাসার চতুর্দিকে দালান উঠছে ক্রমে মাতব্বদের মতো মাথা উঁচু করে। ইদানীং সচ্ছলতা, বোঝা যায়, শিস্ দিচ্ছে পাড়ায়-পাড়ায়। অবশ্য একথা তত প্রাসঙ্গিক নয়; দশজন আঙুল ডুবিয়ে ঘিয়ে বসবাস করলে টাটায় না কখনও আমার চোখ। এ রকমভাবে... Read more
দাবানল – শামসুর রাহমান জাহান্নাম নাকি? নিষ্ঠুরতা বশম্বদ ভয়ানক উৎপীড়কের, লন্ডভন্ড চতুর্দিক, পশুপাখি ফুড়িং, মৌমাছি পোড়ে দাবানলে, অসুরের নখ মাটি আঁচড়াচ্ছে জোরে, এখন উদ্ধারকল্পে ডাকি কাকে? দাউ দাউ বনভূমি। ডান দিকে সাপ ছোটে, বাম দিকে সন্ত্রস্ত নেউল, নেকড়েরা অকস্মাৎ মেষপাল,... Read more
