পিছুটান – শামসুর রাহমান সর্বদাই ছিল পণ, যাই বলুক, সর্বক্ষণ হাঁটবো সামনের দিকে, চলে যাবো সুউচ্চ চূড়ায় আখেরে একদিন সূর্যাস্তের রঙ মেখে রুক্ষ গায়। কস্মিনকালেও তাকাবো না ফিরে, মনের মতোন পথ না-ই থাক, তবু হেঁটে যাবো, যখন তখন একটি কি... Read more
পিঁপড়ের দ্বীপে – শামসুর রাহমান নৈশ ভোজনের পর মার্কিন টাইম ম্যাগজিন উল্টেপাল্টে তুলে নিই ডিফোর রবিনসন ক্রূশো, কিছুক্ষণ ঘুরি তার সঙ্গে; কী অদ্ভুত বেশভূষো নিজের শরীরে দেখি, ছাগগন্ধে এই ঘুমহীন রাত্রি ভরপুর, অকস্মাৎ পিঁপড়ের ঝাঁক ধেয়ে আসে চতুর্দিকে থেকে। অতিকায়... Read more
পাস্তারনাকের কাব্যগ্রন্থের নিচে – শামসুর রাহমান ১ কোনও কোনও কবিতা দূরে দাঁড়িয়ে থাকে; রুখু লালচে চুল, নীল চোখ, গালে আপেলের রক্তিমাভা; ক্ষুৎ-পিপাসা, বুলেট এবং বোমা থেকে পালিয়ে বেড়ানো উদ্বাস্তু ইরাকী বালিকা। হাত নেড়ে ডাকি, রুটি, কোকাকোলা আর লজেন্সের প্রতিশ্রুতি দিই,... Read more
পার্টির পরে – শামসুর রাহমান এখন কোথায় যাবো পথ খুঁজে এই মধ্যরাতে একা একা? পান্থনিবাসের সব দরোজা জানালা বন্ধ, পথও লুপ্ত, অস্তিত্বের স্বরে স্তরে বিশ্রী জ্বালা- হঠাৎ হবে কি দেখা কীর্কেগার্ড, নীটশের সাথে? এ কেমন শূন্যতায় পা দু’টো দেখাচ্ছে খেল... Read more
পার্কের নিঃসঙ্গ খঞ্জ – শামসুর রাহমান পার্কের নিঃসঙ্গ খঞ্জ চেয়েছে চাঁদের কাছে বুঝি একটি অদ্ভুত স্বপ্ন তাই রাত্রি তাকে দিল উপহার বিষাদের বিস্রস্ত তনিমা যেন সে দুর্মর কাপালিক চন্দ্রমার করোটিতে আকণ্ঠ করবে পান সুতীব্র মদিরা পৃথিবীতে সম্পন্ন গাছের পাতা ঝরে... Read more
