নিজের বিষয়ে – শামসুর রাহমান নিজের বিষয়ে আমি কস্মিনকালেও খুব বেশি ভাবি না, বিশ্বাস করো। মাঝে-মধ্যে ভাবি এ জীবন চাকরিত্বে অন্তরীণ, ভীষণ নাছোড় অনটন সর্বক্ষণ, যদিও ধনিক সংঘে কিছু ঘেঁষাঘেঁষি করি, আর নিজেরই সংসারে অনবোলা পরদেশী হয়ে থাকি, শ্যামলিম মফস্বলে... Read more
নিজের পায়ের দিকে তাকাতেই – শামসুর রাহমান আমাকে কেউ ইশ্বরের প্রতিদ্বন্দী বলে সম্বোধন করল কি করল না তাতে আমার কিছু যায় আসে না। আমার স্তুতি কিংবা নিন্দায় পাড়াপাড়শিরা হুল্লোড়ের হাট বসিয়ে লাঠালাঠি, মাথা ফাটাফাটি করলেও সেদিকে আমার লেশামাত্র নজর নেই।... Read more
নিজের নিকট থেকে – শামসুর রাহমান নিজের নিকট থেকে বহুদূরে চলে যেতে চাই- দিনের আড়ালে, রাত্রির ওপরে ভেসে ভেসে যতদূর যাওয়া যায় ততদূর চলে যেতে চাই। এ শহরে ঘরে কিংবা বাইরে কোথাও বলো না থাকতে কেউ আমাকে, এক্ষুণি আসবাব, বইপত্র,... Read more
নিজের ছায়ার দিকে – শামসুর রাহমান আমার ভেতরে আছে এক ছায়া সুনসান; তার ধরন বেখাপ্পা খুব, অন্তরালে থাকে। সামাজিত তাকে বলা যাবে না, যদিও ভ্রমণের অভিলাষ আছে তার এখানে-সখানে অবিরাম। কখনও-সখনও নিজের ছায়ার দিকে স্নেহার্দ্র দৃষ্টিতে তাকাই রহস্যবাদী মানুষের মতো।... Read more
নিজের কবিতার প্রতি – শামসুর রাহমান কবিতা আমার ধমনীকে তোর জোগাই নিত্য রক্তকণা। হায় রে তবুও তোর জন্যেই পদে পদে জোটে প্রবঞ্চনা। হেঁটেছিস পথ গুরুজনদের শত গজ্ঞনা মাথায় করে। কাটা ঘুড়ি তুই, বাতাসের লেজ শাসাচ্ছে তোকে অবুঝ ওরে। হায় রে... Read more
