বুদোয়ারে – শামসুর রাহমান আর কত করবো আমি নিভৃতে তোমার ইস্তেজার সারাবেলা প্রতিদিন? এখন তোমাকে খুঁজে ফিরি প্রষ্ফুটিত গোলাপ এবং গন্ধরাজে, ঝিরিঝিরি হাওয়ার হেরেমে মেঘে নদীবক্ষে বেকারার হৃদয়ে প্রকৃত পক্ষে। তবু আজো তোমার দিদার স্থগিত, অথচ দেখি তোমাকেই বাসের ভিতরে... Read more
বুড়ো ঈগলের মতো? – শামসুর রাহমান সময় তো বয়ে গেলো চোখের নিমেষে, অথচ জমার খাতা খাঁ খাঁ রয়ে গেছে আমার, আকাঙ্ক্ষা উড়ে যায় মেঘলা আকাশে। বসে থাকি একা ঘরে হতাশায়। তবে কি বৃথাই আমি বহু রাত নির্ঘুম কাটিয়ে ঝাঁঝালো দুপুরে... Read more
বুগেনভেলিয়া – শামসুর রাহমান ঘরের বাইরে নুয়ে আছে নিরিবিলি বারান্দায় বুগেনভেলিয়া, যেন শূন্য রাঙা মন্দিরে প্রণতা দেবদাসী একাকিনী। ঘরের ভেতরে আচ্ছন্নতা গদ্যের পদ্যের, আমাদের দু’জনের চেতনায় কত যে শতাব্দী বয়ে যায়। আমাদের বাক্যালাপে খৃষ্টপূর্ব সূর্যোদয়, বিশ শতকের অস্তরাগ, কত তক্কো... Read more
বুকের অসুখ – শামসুর রাহমান তিন-চার মাস ধরে সমগ্র সত্তায় জ্বরোভাব। মুখ তেতো সারাক্ষণ, খুক খুক কাশি। ফুসফুস থেকে অবিরাম মিলকভিটা মাখনের মতো কফ পড়ে, যদিও খাই না টোস্ট মাখন লাগিয়ে কতকাল, সে কবে পঞ্চাশ পেরিয়েছি বলে। বন্ধুদের কেউ কেউ... Read more
বিস্মৃতির ডোবায় – শামসুর রাহমান বিস্মৃতির ডোবায় আমাকে ছুঁড়ে দিয়ে নিদ্বির্ধায় সে কি আজ তারাভরা আকাশকে শোভা দ্যাখে, নেয় গোলাপের ঘ্রাণ কিংবা অন্য কারো আলিঙ্গনে ধরা দেয় বারবার? না কি শোনে রাতে আমজাদ খাঁর দরবারী, গাছের সবুজে আর গেরুয়া মাটিতে... Read more
