উচ্চের প্রয়োজন – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কহিল মনের খেদে মাঠ সমতল, হাট ভ’রে দিই আমি কত শস্য ফল। পর্বত দাঁড়ায়ে রন কী জানি কী কাজ, পাষাণের সিংহাসনে তিনি মহারাজ। বিধাতার অবিচার, কেন উঁচুনিচু সে কথা বুঝিতে আমি নাহি পারি কিছু। গিরি... Read more
এই যেন ভক্তের মন – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এই যেন ভক্তের মন বট-অশ্বত্থের বন। রচে তার সমুদার কায়াটি ধ্যানঘন গম্ভীর ছায়াটি, মর্মরে বন্দন-মন্ত্র জাগায় রে বৈরাগি কোন সমীরণ। (স্ফুলিঙ্গ) Read more
ইস্টেশন – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সকাল বিকাল ইস্টেশনে আসি, চেয়ে চেয়ে দেখতে ভালবাসি। ব্যস্ত হয়ে ওরা টিকিট কেনে, ভাঁটির ট্রেনে কেউ-বা চড়ে কেউ-বা উজান ট্রেনে। সকাল থেকে কেউ-বা থাকে বসে, কেউ-বা গাড়ি ফেল্ করে তার শেষ-মিনিটের দোষে। দিনরাত গড়্গড়্ ঘড়্ঘড়্, গাড়িভরা... Read more
ইছামতী নদী – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর অয়ি তন্বী ইছামতী, তব তীরে তীরে শান্তি চিরকাল থাক কুটিরে কুটিরে— শস্যে পূর্ণ হোক ক্ষেত্র তব তটদেশে। বর্ষে বর্ষে বরষায় আনন্দিত বেশে ঘনঘোরঘটা-সাথে বজ্রবাদ্যরবে পূর্ববায়ুকল্লোলিত তরঙ্গ-উৎসবে তুলিয়া আনন্দধ্বনি দক্ষিণে ও বামে আশ্রিত পালিত তব দুই-তট-গ্রামে... Read more
ইঁটের গাদার নিচে – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ইঁটের গাদার নিচে ফটকের ঘড়িটা। ভাঙা দেয়ালের গায়ে হেলে-পড়া কড়িটা। পাঁচিলটা নেই, আছে কিছু ইঁট সুরকি। নেই দই সন্দেশ, আছে খই মুড়কি। ফাটা হুঁকো আছে হাতে, গেছে গড়গড়িটা। গলায় দেবার মতো বাকি আছে দড়িটা।... Read more
