মাতাল – শামসুর রাহমান মদিরা করিনি স্পর্শ, অথচ মাতাল হ’য়ে আছি দিনরাত; নিত্য কুৎসাকারীদের জিভের খোরাক আমি, কেউ কেউ ক্রোধে আমাকে পুড়িয়ে করে খাক। আমার করোটি জুড়ে কবিতার সোনালী মৌমাছি প্রায়শ গুঞ্জন তোলে; অচিন পাখিরা নাচানাচি করে হৃৎবাগানে আমার। গূঢ়... Read more
মাতামহীর মধ্যাহ্ন – শামসুর রাহমান ত্র্যালবামের এই চেনা জানা সংসারে আজ নেই যে তিনি। কেমন ধূসর, কতো ধূসর ক্রমান্বয়ে হলেন তিনি, বলতে পারো মনো-মুকুর? গলির কোলে আটচালাটা অষ্টপ্রহর আদর খেতো রৌদ্র ছায়ার। কখনো বা উঠতো কেঁপে বদমেজাজী হাওয়ার ভীষণ ধমক... Read more
মাটির ঘ্রাণের ছোঁয়া – শামসুর রাহমান প্রায় সারাদিন ঘুরে ঘুরে বিকেলের ঠাণ্ডা রোদে ঘরের বাইরে রাখা চৌকিতে একটি লাশ দেখে থমকে দাঁড়াই। এই লাশ অন্য কারও নয়, এতো স্বয়ং আমার। বাড়ির সবাই শোকাহত বড়, কারও কারও চোখ অশ্রুময়। ঘরের ভেতর... Read more
মাঝে মাঝে মাটিতে – শামসুর রাহমান মাঝে মাঝে মাটিতে বুক রাখি। আমার হৃৎস্পন্দন আর মাটির বুকের টিপটিপ শব্দের যুগলবন্দি চলে অনেকক্ষণ। মাটিলগ্ন হয়ে থাকবার এই আনন্দ উত্তাল ঢেউয়ের ওপর নৌকো। আজ গুচ্ছ গুচ্ছ ঘাস ভেদ করে আমার বুক যখন মাটিতে... Read more
মাঝে মাঝে তাকে – শামসুর রাহমান দূর থেকে দেখে ঈর্ষার তাপ লাগে সত্তায়। তার এলোমেলো রুক্ষ চুলের ঘন অরণ্যে হরিণের খেলা, সোনালি সাপের এঁকে বেঁকে চলা, অথবা কখনো কাঠুরের চোখ, শাণিত কুঠার দেখেছি সহসা। জ্বলজ্বলে গালে কর্কশ দাড়ি, ছিপছিপে গায়ে... Read more
