মাস্টারদার হাতঘড়ি – শামসুর রাহমান মাস্টারদা, আপনি কি হাতঘড়ি পরতেন কখনো, এই প্রশ্ন আমাকে ঠোকর মেরেছে অনেকবার মাস্টারদা, আপনার বিষয়ে অনেক কিছু জানা আছে আমার। আপনার শরীরের গড়ন, মূল্যবান রত্নের মতো চোখের দীপ্তি, জীবন-যাপনের ধরন-একরম বহুবিধ খুঁটিনাটির আলো আমি পেয়েছি... Read more
মায়ের চোখে – শামসুর রাহমান আমার খোকন গাঢ় দুপুরে ঘুমাত, ঘুমাবার করত ভান আমার বালিশে, বুকে আর ‘গল্প বলো…কড়ির পাহাড়, শঙ্খমালা’, বলত গ্রীষ্মের দুপুরে কাঁচা আম কত জলছবি হাতে, জাহাজের বাঁশি বাজাত নকল সুরে। ওঁর চশমা চোখে টুপি পরে দেখা... Read more
মাম – শামসুর রাহমান সাধক যেমন ধ্যানে জপেন নিয়ত পুণ্যশ্লোক, আমার হৃদয়ও তেম্নি বার-বার করে উচ্চারণ তোমার মধুর নাম। ঘরে ভ্রমরের গুঞ্জরণ, বাইরে পাখির শিস, হাওকেয়ার বিলাপ, যাই হোক- সবই তো বিশেষ ধ্বনি, সুর বলে কোনো কোনো লোক। শুধু সুর... Read more
মাপকাঠি – শামসুর রাহমান তুমিই আমাকে জপিয়েছে সাধারণ মাপকাঠি দিয়ে পরিমাপ করা চলে না আমাকে কিছুতেই; সমাজে আমার আচরণ হবে খুব পরিপাটি এবং নিখুঁত-এই তুচ্ছতার প্রয়োজন নেই। ‘কবি তুমি, শব্দশিল্পে নিবেদিত থাকবে সর্বদা অন্য সব কিছু গৌণ হোক, তাহলেই হবো... Read more
মানুষের মতো – শামসুর রাহমান ইদানীং মানুষের মতো কিছু বাঁদর দেখেছি, অবিকল বাঁদরের মতো কিছু বিহ্বল মানুষ। বাহিরকে করে ঘর ওরা আর ঘরকে বাহির; রাজপথে, ফুটপাতে, বাস টার্মিনালে, ঘাসময় পার্কে আর সিনেমায় জমকালো বাঁদরের ভিড় দেখে করতালি দিতে সাধ জাগে।... Read more
