মেঘ থেকে মেঘান্তরে – শামসুর রাহমান প’ড়ে যাচ্ছি, প’ড়ে যাচ্ছি, দ্রুত প’ড়ে যাচ্ছি। প’ড়ে যেতে-যেতে ভাবছি কেন যে অকস্মাৎ এ-পতন আমার? করেছি কোন গূঢ় অপরাধ? কিছুক্ষণ পর দেখি ঝুলছি গাছের ডালে আর শরীর আমার বড় বেশি কাঁটাবিদ্ধ। ঝুলতে ঝুলতে ডালে... Read more
মৃত্যুর পরেও – শামসুর রাহমান মৃত্যু মৎস্যশিকারীর মতো একদিন অতর্কিতে ক্ষিপ্র গেঁথে নিয়ে যাবে আমাকে নিশ্চয় । এ-নশ্বর শরীর বেবাক স্মৃতি অনুস্মৃতিসহ হবে নিশ্চিহ্ন ধূলিতে, থাকবে পিছনে পড়ে জীবন-ঊর্মিল প্রিয় ঘর । রাত জেগে যে-কবিতা লিখেছি দু’চোখ রক্তজবা করে তার... Read more
মৃত্যুদন্ড – শামসুর রাহমান বেকসুর আমি তবু আমাকেই মৃত্যুদন্ড দিলে। কী করে তোমার কাছে অপরাধী, এখনো জানি না; কস্মিকালেও আমি শক্রুতা সাধিনি, শুধু বাণী, অলৌকিক, প্রেমময়, বাজিয়েছি। সেই সুরে ছিলে মিশে তুমি বসন্তের পাতার গভীরে, শান্ত ঝিলে, শস্যক্ষেতে, নীলিমায়। এই... Read more
মৃতের মুখের কাছে – শামসুর রাহমান মৃতের মুখের কাছে মুখ নিয়ে গেলে ভাবনার স্বরূপ বদলে যায়? চোখে সম্মুখে বনভূমি, কাঁটাবন, শীর্ণ নদী, সন্তের ঔদাস্যময় ছিন্ন আলখাল্লা, এক পাটি জীর্ণ জুতো, দূরবর্তী লাল টিলা বেয়ে নেমে আসা কেউটে, গহ্বর ভয়ংকর, অবেলায়... Read more
মূল্যের উপমা – শামসুর রাহমান (তাকে, আমাকে যে কবি ব’লে উপহাস করত) লিখি না গোয়েন্দা গল্প, উপন্যাস, ভ্রমণকাহিনী কিংবা চিত্রতারকার বিচিত্র জীবনপঞ্জি লিখে হয়নি প্রচুর অর্থাগম। অথচ যা-করি তা-ও যায় না কখনো বলা অসংকোচে ভদ্রমণ্ডলীকে। আমার উঠোনে সুখ নয় জানি... Read more
