মানসলোক – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর মানসকৈলাসশৃঙ্গে নির্জন ভুবনে ছিলে তুমি মহেশের মন্দিরপ্রাঙ্গণে তাঁহার আপন কবি, কবি কালিদাস। নীলকণ্ঠদ্যুতিসম স্নিগ্ধনীলভাস চিরস্থির আষাঢ়ের ঘনমেঘদলে, জ্যোতির্ময় সপ্তর্ষির তপোলোকতলে। আজিও মানসধামে করিছ বসতি; চিরদিন রবে সেথা, ওহে কবিপতি, শংকরচরিত গানে ভরিয়া ভুবন।— মাঝে হতে উজ্জয়িনী-রাজনিকেতন,... Read more
মানবহৃদয়ের বাসনা – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নিশীথে রয়েছি জেগে ; দেখি অনিমেখে , লক্ষ হৃদয়ে সাধ শূন্যে উড়ে যায় । কত দিক হতে তারা ধায় কত দিকে ! কত – না অদৃশ্যকায়া ছায়া – আলিঙ্গন বিশ্বময় কারে চাহে , করে হায়... Read more
মাধো – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রায়বাহাদুর কিষনলালের স্যাকরা জগন্নাথ, সোনারুপোর সকল কাজে নিপুণ তাহার হাত। আপন বিদ্যা শিখিয়ে মানুষ করবে ছেলেটাকে এই আশাতে সময় পেলেই ধরে আনত তাকে; বসিয়ে রাখত চোখের সামনে, জোগান দেবার কাজে লাগিয়ে দিত যখন তখন; আবার মাঝে... Read more
মাধব না কহ আদরবাণী – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর মাধব , না কহ আদরবাণী , না কর প্রেমক নাম । জানয়ি মুঝকো অবলা সরলা ছলনা না কর শ্যাম । কপট , কাহ তুঁহু ঝূট বোলসি , পীরিত করসি তু মোয় ? ভালে... Read more
মাতৃবৎসল – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর মেঘের মধ্যে মা গো, যারা থাকে তারা আমায় ডাকে, আমায় ডাকে। বলে, ‘আমরা কেবল করি খেলা, সকাল থেকে দুপুর সন্ধেবেলা। সোনার খেলা খেলি আমরা ভোরে, রুপোর খেলা খেলি চাঁদকে-ধরে। ‘ আমি বলি, ‘যাব কেমন করে। ‘... Read more
