সাম্যনীতি – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কহিল ভিক্ষার ঝুলি, হে টাকার তোড়া, তোমাতে আমাতে, ভাই, ভেদ অতি থোড়া— আদান-প্রদান হোক। তোড়া কহে রাগে, সে থোড়া প্রভেদটুকু ঘুচে যাক আগে। (কণিকা কাব্যগ্রন্থ) Read more
সামান্য লোক – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সন্ধ্যাবেলা লাঠি কাঁখে বোঝা বহি শিরে নদীতীরে পল্লীবাসী ঘরে যায় ফিরে। শত শতাব্দীর পরে যদি কোনোমতে মন্ত্রবলে অতীতের মৃত্যুরাজ্য হতে এই চাষী দেখা দেয় হয়ে মূর্তিমান, এই লাঠি কাঁখে লয়ে, বিস্মিত নয়ান, চারি দিকে ঘিরি... Read more
সামান্য ক্ষতি – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বহে মাঘমাসে শীতের বাতাস, স্বচ্ছসলিলা বরুণা। পুরী হতে দূরে গ্রামে নির্জনে শিলাময় ঘাট চম্পকবনে, স্নানে চলেছেন শতসখীসনে কাশীর মহিষী করুণা। সে পথ সে ঘাট আজি এ প্রভাতে জনহীন রাজশাসনে। নিকটে যে ক’টি আছিল কুটির ছেড়ে... Read more
সান্ত্বনা – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কোথা হতে দুই চক্ষে ভরে নিয়ে এলে জল হে প্রিয় আমার। হে ব্যথিত, হে অশান্ত, বলো আজি গাব গান কোন্ সান্ত্বনার। হেথায় প্রান্তরপারে নগরীর এক ধারে সায়াহ্নের অন্ধকারে জ্বালি দীপখানি শূন্য গৃহে অন্যমনে একাকিনী বাতায়নে বসে... Read more
সাধারণ মেয়ে – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর আমি অন্তঃপুরের মেয়ে, চিনবে না আমাকে। তোমার শেষ গল্পের বইটি পড়েছি, শরৎবাবু, “বাসি ফুলের মালা’। তোমার নায়িকা এলোকেশীর মরণ-দশা ধরেছিল পঁয়ত্রিশ বছর বয়সে। পঁচিশ বছর বয়সের সঙ্গে ছিল তার রেষারেষি, দেখলেম তুমি মহদাশয় বটে– জিতিয়ে... Read more
