অগ্নিপথ – শামসুর রাহমান নদীর ঝাপ্টায় চমকে উঠে তাকাই, উপকূলের ঘুম সত্তা ছেড়ে মেঘমালায় লীনঃ কয়েকটি পাখি চঞ্চুতে রৌদ্রের অকপট সততা নিয়ে আমাকে প্রদক্ষিণ করে, ওদের ডানায় ঢেউয়ের স্বরগ্রাম, চোখে ভবিষ্যতের নীলকান্ত মণির বিচ্ছুরণ, বন্ধুরা কোথায়? আমারতো একসঙ্গে স্তব্ধতাকে গান... Read more
৩১৩, তুমি ফিরে এসো – শামসুর রাহমান স্বপ্নের ভেতরে পেয়েছি একটি সংখ্যা, তিনশো তের, ৩১৩ হীরের লকেটের মতো দোলে সারাক্ষণ দৃষ্টিপথে, মায়াবী। এই সংখ্যা দুলে উঠলেই অজস্র ময়ূর পেখম মেলে আমার একলা ঘরে, অবিস্মরণীভাবে গোলাপ বাগান উন্মীলিত হয় মেঝে ফুঁড়ে... Read more
১৪০০ সালের সূচনায় – শামসুর রাহমান জীবনানন্দের কবিতার সঙ্গে সারারাত সহবাস করে বেদনা ভুলতে গিয়ে আরো বেশি বেদনার্ত হই। ১৪০০ সালের আশা সত্তাময় মেখে নিতে চেয়ে ক্রামগত বুনো অন্ধকারে ডুবে যাই। ক’দিন দু’চোখে এক ফোঁটা ঘুম নেই, চর্তুদিকে বিভীষিকা নানান... Read more
স্বপ্নগুলো অবিন্যস্ত টেবিলে – শামসুর রাহমান স্বপ্নগুলো অবিন্যস্ত টেবিলে টুকরো টুকরো জ্যোৎস্না; জ্যোৎস্নায় উড়ে এসে পড়ে পোড়া ঘরের ছাই। ধুলোবালি খিলখিলিয়ে হেসে ঢেকে দেয় তাকে, যে সবেমাত্র তার স্বপ্নগুলোকে গুছিয়ে রাখছিল চায়ের পেয়ালায়; সে এখন পুরনো কালের বিকৃত মূর্তির মতো।... Read more
শান্তি কি হরিণ – শামসুর রাহমান শান্তি কি হরিণ হয়ে ঘুমাচ্ছিল এখানে কোথাও? ‘স্বপ্ন দাও’ বলে সে কি ঘুমের ভেতর অন্তরীণ উঠেছিল নড়ে? তার শরীরে আঁচড় পড়ে এলোমেলো, জেগে বিখ্যাত দু’চোখ মেলে খোঁজে ঝিলের ঝলক ত্রস্ত তাকায় অদূরে, দেখে নিতে... Read more
