অনুবাদ – শামসুর রাহমান তোমার ঘুমানো, জেগে-থাকা, হঠাৎ বেরিয়ে যাওয়া ঘর ছেড়ে কিংবা শীর্ণ ভিখারীর ক্ষয়া হলদে দাঁতে চোখ রাখা, কাজান্তজাকিস পড়া, স্তব্ধ মধ্যরাতে সুদূর গ্রীসের কথা ভাবা, ছিপছিপে নৌকো বাওয়া স্বপ্নের অসীম ঝিলে বুকে নিয়ে স্মৃতিময় হাওয়া, মরণ আবৃত্তিকারী... Read more
অনিবার্য ঘরে ফেরা – শামসুর রাহমান এইমতো স্থিতি তার, স্পন্দনরহিত সর্বক্ষণ, পতিত ফলের মতো ম্লান। এভাবেই থাকে সে প্রায়শ রাত্রিদিন এমন নিঃসাড় পারিপার্শ্বিকের প্রতি উদাসীন। টেলিফোন বাজে, বেজে চলে ক্রমাগত বেলা অবেলায়; পোস্টম্যান, বালকের রঙিন মার্বেল অথবা উড়ন্ত ঘুড়ি, উদ্ভিন্ন... Read more
অনাথ আশ্রমে – শামসুর রাহমান আকাশে নিমগ্ন শারদ রোদ্দুর, শস্যদানা খুঁটে তিনটি হাঁস খায়। নামিয়ে মাঝপথে যাত্রী কতিপয় দৃশ্য থেকে ফের দৃশ্যে বাস যায়! অতীত-চেরা মৃদু আলোর ঝলকানি- দাঁড়ানো ছিলে তুমি একলা গৃহকোণে। বিবাগী মেঘ বুঝি গাছকে চায় ছুঁতে, তোমার... Read more
অদৃশ্য ছোরা – শামসুর রাহমান পর্যটনে কেটেছে সময়; হেঁটে হেঁটে কায়ক্লেশে নিঃসঙ্গ ধূসরপ্রান্তে এসে গেছি। বসে থাকি একা, অতীতের হাত কাঁধে, আমার চোখের জ্যোতি নিভে যেতে চায়। সম্প্রতি টেবিল ল্যাম্প জ্বালিয়ে নিশুত রাতের গহন বাণী অক্ষরের আড়ম্বরহীন আয়োজন ধরে রাখি।... Read more
অথচ বেলা-অবেলায় – শামসুর রাহমান রাতে চাঁদটা হঠাৎ যেন বেজায় বেঁকে বসল। বলা যেতে পারে, মেজাজ তার হয়তো অকারণেই বিগড়ে গেছে। হয়তো এখনই সে ছিটকে মিলিয়ে যাবে জলের ঢেউয়ে। হঠাৎ আকাশটাকে কেন যেন বেখাপ্পা ঠেকছে। বস্তুত যেন আকাশকে কেউ ভীষণ... Read more
