একটি বাগান – শামসুর রাহমান নিশ্চয় তোমার মনে আছে একটি বাগান তুমি আর আমি খুব গোপনীয়তায় সাজিয়েছিলাম রঙ বেরঙের ফুলে। ইচ্ছে করে বাগানের নাম রাখিনি আমরা, শুধু গড়েছি সুন্দর পুষ্পভূমি পানি ঢেলে চারার শিকড়ে তুলে ফেলে পরগাছা অগণিত। সে বাগানে... Read more
একটি ফ্রিজ শটের জন্যে – শামসুর রাহমান এ কেমন চলে যাওয়া উড়িয়ে রুমাল কাকডাকা দুপুরে একাকী দূরে, বিন্দু হয়ে যাওয়া? দুটি পাখি ছিল ডালে; শাখাচারী পক্ষীদ্বয় দু’ ফোঁটা চোখের পানি যেন। ভুরুর মতন ঝিল, শিকের আড়ালে কতিপয় প্রাণী আর রঙিন... Read more
একটি ফটোগ্রাফ – শামসুর রাহমান এই যে আসুন, তারপর কী খবর? আছেন তো ভালো ? ছেলেমেয়ে ?’ কিছু আলাপের পর, দেখিয়ে সফেদ দেয়ালের শান্ত ফটোগ্রাফটিকে বললাম জিজ্ঞাসু অতিথিকে– ‘এই আমার ছোট ছেলে, যে নেই এখন, পাথরের টুকরোর মতন ডুবে গেছে... Read more
একটি প্রাচীন সংলাপ – শামসুর রাহমান বয়স কম তো নয়, উড়ছে মাথায় এখনও সফেদ চুল, কোনও কোনও দাঁত নড়বড়ে। তদুপরি কফের ধমকে হামেশাই বুক ফেটে যেতে চায়। তবুও কলম তার প্রায়শ চঞ্চল। আজকাল কখনও কখনও বটগাছ থেকে নেমে একজন অতিশয়... Read more
একটি পুরনো ফটোগ্রাফ দেখে – শামসুর রাহমান যখন পুনেরো বছরের তটে তোমার শরীর তরঙ্গিত নিরিবিলি সেই তোমাকেই দেখলাম- রয়েছ দাঁড়িয়ে একা নাগরিক নিসর্গের মাঝে নিস্তব্ধ রমনা পার্কে শীতের দুপুরে। রোদ, হাওয়া নীরবে খাচ্ছিল চুমো তোমাকে নিবিড়। নীল শাড়ি, তোমার প্রথম... Read more
