খেলাচ্ছলে ভুল ক’রে – শামসুর রাহমান বহুদিন ধ’রে ঢের পথে হেঁটে হেঁটে প্রায় সন্ধেবেলা পৌঁছে যাই কেমন আশ্চর্য স্থানে। জনমানবের চিহ্ন নেই আশেপাশে কোনওখানে, কেবল তিনটি কেমন আজব গাছ দাঁড়ানো বেজায় উদ্ধত ধরনে, যেন এক্ষুনি কামড়ে খাবে বেখাপ্পা আমাকে। বৃক্ষদের... Read more
খেলনার দোকানের সামনে ভিখিরি – শামসুর রাহমান বড় রাস্তা, ঘুপচি গলি, ঘিঞ্জি বস্তি, ভদ্রপাড়া আর ফলের বাজার ঘুরে খেলনার দোকানের সামনে দাঁড়ালাম। কাচের আড়ালে দেখি কাঠের পুতুল, রেলগাড়ি, ছক-কাটা বাড়ি, আরবি ঘোড়া এক জোড়া, উড়ন্ত পাখির মতো এরোপ্লেন, টিনের সেপাই।... Read more
খেলনা – শামসুর রাহমান আমার মেয়েকে দেখি বাড়িটার আনাচে কানাচে বেড়ায় আপন মনে, ফ্রক-পরা। খেলাঘরে তার রকমারি খেলনা নিয়ে সকাল-বিকাল মেতে আছে। দেখি রোজ ঘটা করে পুতুলের বিয়ে দেয় আর ছোটায় কাঠের ঘোড়া তেপান্তরে, সমুদ্রে ভাসায় সপ্তডিঙা। মায়ের গজ্ঞনা কিংবা... Read more
খুলোনা এ মুখ – শামসুর রাহমান তোমাকে দেখলে ভয় পাই খুব, বুকের ভেতর অশ্বক্ষুরের প্রখর শব্দ, জাগে কলরব প্রাকারে প্রকারে। ক্রূদ্ধ মশাল, কাঁপে থরথর ঘুমধরা হাড়, চোখে ভাসমান বেকসুর শব। তোমার অমন ভবিষ্যময় চোখে তাকালেই পারমাণবিক ভস্ম আমাকে করে দ্রুত... Read more
খুব প্রয়োজন ছিল – শামসুর রাহমান এই ভরদুপুরে যখন আমার বুক বিরান পথের মতো খাঁ খাঁ, যখন আমার ধূসর দৃষ্টিময় চোখ ফেটে জল ঝরতে চাইছে, যখন তোমার বিচ্ছেদে আমি কাতর, নতুন করে মনে হলো তোমাকে আমার খুব প্রয়োজন ছিল অনেক... Read more
