আমার তৃষ্ণার জল – শামসুর রাহমান তুমিও ফিরিয়ে নিলে মুখ কম্পিত দ্বিধায়, নাকি ঘৃণায় গিয়েছো সরে। কতকাল, বলো কতকাল এমন সুদূরে তুমি সীমাহীন ঔদাস্যের জাল ছড়িয়ে থাকবে সর্বক্ষণ? আমি কী ব্যাকুল ডাকি তোমাকেই, আজ আর এমন প্রান্তর নেই বাকি, নেই... Read more
আমার চেয়ে অধিক – শামসুর রাহমান যখন তোমাকে দেখি ফুলদানি সাজাতে গোলাপ অথবা রজনীগন্ধা, ক্যামেলিয়া দিয়ে এবং সোনালী থালা ভ’রে তোলো বেলফুল আর স্বর্ণচাঁপা এনে, তখন তোমাকে কী-যে ভালো লাগে আমার, সুপ্রিয়া। এমনকী যখন ছ্যা ঢালো পেয়ালায় কিংবা কারো সমুখে... Read more
আমার ক্ষুধার্ত চক্ষুদ্বয় – শামসুর রাহমান এখন বাইরে রাত্রি তপোক্লিষ্ট বিমর্ষ নানের পোশাকের মতো আর সুদূর কোথাও সন্ন্যাসীর অস্থায়ী ধুমল আস্তানায় আস্তে ঝরছে শিশির, প’ড়ে থাকে কতিপয় চিহ্ন উদাস অন্তর্ধানের। নিশীথ রপ্তানি করে প্রসিদ্ধ সুরভি বাগানের দূর-দূরান্তরে, ক্লান্ত মগজের ভেতরে... Read more
আমার কোনো তাড়া নেই – শামসুর রাহমান জাভেদ, তোমাকে আমি ডাকছি এই সাতসকালে, ফুটপাতে দাঁড়িয়ে, তুমি শুনতে পাচ্ছ না? জাভেদ তুমি টইটম্বুর বাসে বাদুড়ের ধরনে ঝুলে যাচ্ছ। কী দরকার ছিল এত কষ্ট করার, পরের বাসে গেলেই তো পারতে! তোমার কি... Read more
আমার কাছ থেকে সরিয়ে দাও – শামসুর রাহমান প্রিয়তমা, আমার কাছ থেকে সরিয়ে নাও দৃষ্টি। তোমার এই দৃষ্টপাত কী তেলেসমাত ঘটাতে পারে জানে না আমার ঘরের টিকটিকি, ফ্যানের ব্লেডে বসে-থাকা চড়ুই, বাবুই পাখি আর বাগানে দোল-খাওয়া বুলবুল। তোমার পিতামাতা জানেন... Read more
