একটি ফ্রিজ শটের জন্যে – শামসুর রাহমান এ কেমন চলে যাওয়া উড়িয়ে রুমাল কাকডাকা দুপুরে একাকী দূরে, বিন্দু হয়ে যাওয়া? দুটি পাখি ছিল ডালে; শাখাচারী পক্ষীদ্বয় দু’ ফোঁটা চোখের পানি যেন। ভুরুর মতন ঝিল, শিকের আড়ালে কতিপয় প্রাণী আর রঙিন... Read more
একটি ফটোগ্রাফ – শামসুর রাহমান এই যে আসুন, তারপর কী খবর? আছেন তো ভালো ? ছেলেমেয়ে ?’ কিছু আলাপের পর, দেখিয়ে সফেদ দেয়ালের শান্ত ফটোগ্রাফটিকে বললাম জিজ্ঞাসু অতিথিকে– ‘এই আমার ছোট ছেলে, যে নেই এখন, পাথরের টুকরোর মতন ডুবে গেছে... Read more
একটি দৃশ্যের আড়ালে – শামসুর রাহমান এখনও আকাশ আছে, এই খোলা জানালার বাইরে রাস্তায় অটুট ট্রাফিকের ঐকতান। বাতাসের টোকায় খড়খড়ি জেগে ওঠে স্বপ্ন থেকে, বারান্দায় যুগল পায়রা প্রেমে নিমজ্জিত, গলির বুড়োটা তারাভরা আকাশের মতো শতচ্ছিন্ন তালিমারা কোট গায়ে বিড়ি টানে,... Read more
একটি টিনের বাঁশি – শামসুর রাহমান যখন ছিলাম সাত বছরের খেয়ালি বালক, মধ্যদিনে বিছানাকে রত্নদ্বীপ ভেবে সযতনে খুঁজতাম গুপ্তধন। শিকারের খোঁজে ঘুরে বনে দিতাম মাথায় গুঁজে সাতরঙা পাখির পালক রেড ইণ্ডিয়ানদের মতো আর উটের চালক সেজেছি তো সাহারায়। সে-সব দুপুরে... Read more
একটি জীবনচরিত – শামসুর রাহমান যিনি ওই পোড়াবাড়িটায় থাকতেন নিরিবিলি কোনো কোনো দিন রোদে পিঠ দিয়ে আর শ্রাবণের ধারাজ্বলে ঠায় সারাদিনমান সঙ্গীহীন কাটাতেন গোলকচাঁপার নিচে, চোখ-ছলছল তিনি ভাবতেন তার চুল ঘাসের সবুজ শিখা, হাত অবিকল মৃন্ময় গাছের ডাল, চোখ ফাল্গুনের... Read more
