এখন নিজেকে বলি – শামসুর রাহমান এখন নিজেকে বলি মাঝে-মধ্যে, বেলা নিভে আসে ক্রমে, তুমি যমে ও মানুষের টানাটানি দেখেছো গ্রামের ঘরে, শহরের ফ্ল্যাটে, আর অধিবাস্তব নাটোর কুশীলবদের সাজঘরে অকস্মাৎ বজ্রপাত করেছো প্রত্যক্ষ সাঁঝরাতে। তাছাড়া পাহাড়ি পথে ধস নেমে যেতে... Read more
একদিন দুপুরে – শামসুর রাহমান সজনে গাছের ডালে পাখি ডাকে ডবকা দুপুরে, গায় গান পাড়ার মাস্তান, নেশাভাঙ করে আর হিজড়া ধরনে নাচে, যেন ওরা মায়াবনে দেবদূত দেখে খুব প্রাণিত এখন। গলি থেকে তরুণী বেরোয়া একা, ফেরিঅলা ডেকে যায় দুপুরকে চিরে-চিরে;... Read more
একটি সামান্য সংলাপ – শামসুর রাহমান ‘আচ্ছা জনাব, আপনি তো হামেশা মেঘের মুলুকে থাকেন, তাই না?’ ‘মাফ করবেন জনাব, প্রায়শ এই অধম জমিনেই থাকে, কী রোদে, কী বৃষ্টিতে; তবে হ্যাঁ, সত্যি বলতে কি, কালেভদ্রে মেঘলোকে কী করে যে চলে যাই,... Read more
একটি মৃত্যুবার্ষিকী – শামসুর রাহমান হয়নি খুঁজতে বেশি, সেই অতদিনের অভ্যাস, কী করে সহজে ভুলি? এখনও গলির মোড়ে একা গাছ সাক্ষী অনেক দিনে লঘু-গুরু ঘটনার আর এই কামারশালার আগুনের ফুলকি ওড়ে রাত্রিদিন হাপরের টানে। কে জানত স্মৃতি এত অন্তরঙ্গ চিরদিন?... Read more
একটি বাগানের কাহিনী – শামসুর রাহমান দীর্ঘ খরা দেখে দেখে দু’চোখ ভীষণ ঝলসানো; অকস্মাৎ ফসলের ঢেউ খেলে যায়, আবাদের ঘ্রাণে প্রাণ মাতোয়ারা এবং একটি বাগানের উদ্ভাসনে মনে হয় পটভূমি কেমন পাল্টানো। বাগানের ফুল, পাখি, মৃদু হাওয়া ডেকে বলে, ‘আনো জীবনে... Read more
