ক এখন – শামসুর রাহমান ক এখন একা-একা প্রতিদিন ঘুরছে শহরে। ফুটপাত ত্র্যাভেনিউ, বিপনী-বিতান, অলিগলি- কিছুই পড়ে না বাদ। কোন অলৌকিক বনস্থলী দিয়েছিলো গূঢ় ডাক মধ্যরাতে, তার মনে পড়ে মাঝে-মধ্যে। ক এখন প্রায়শ আপনকার ঘরে থাকে না, বসে না চুপচাপ।... Read more
ওরা তিনজন – শামসুর রাহমান গোধূলিবেলায় অকস্মাৎ আমার অভ্যন্তর থেকে একজন, তার ভেতর থেকে অন্য একজন, ওর বুক ফুঁড়ে আরেকজন বেরিয়ে এসে বসে চেয়ারে। যারা বেরিয়ে এলো ঈষৎ প্রফুল্ল কায়দায়, অভিন্ন ওদের অবয়ব। ওরা পরস্পর দৃষ্টি বিনিময় করে একই ধরনের... Read more
এমন কুটিল অন্ধকারে – শামসুর রাহমান এমন কুটিল অন্ধকারে হঠাৎ কোথায় যাব? জানোই তো রাগী শুয়োরের মতো ঘোঁৎ ঘোঁৎ করে পরিবেশ সকল সময়। তবে আমি কোথায় খুঁজব শান্তিনিকেতন? এখন দেখছ না কি শুধু শীতাতপ- নিয়ন্ত্রিত নতুন মোটরকারে জ্বলজ্বলে দুপুরে ঘুরছে... Read more
এতদিন যে-কবিতা আমার লেখা হয়নি – শামসুর রাহমান নির্ঘুম বসে ছিলাম একলা ঘরে, হাত-ঘড়িতে তখন রাত তিনটা। বাইরে অন্ধকার আদিম জন্তুর মতো মাথা গুঁজে জমিনে ঘুমিয়ে আছে। অকস্মাৎ সেই জন্তু মাথা ঝাঁকিয়ে নিজেকে প্রসারিত ক’রে ওর দাঁত-নখে কামড়ে ধরলো ঘুমন্ত... Read more
এতকাল বৈঠা বেয়ে – শামসুর রাহমান এই আমি এতকাল বৈঠা বেয়ে প্রায় তীরে এসে ডিঙি, হায় ডুবে যেতে দেব? হ্যাঁ, আমি স্বীকার করি-মাথা- ভর্তি শাদা চুল ওড়ে দূরন্ত বাতাসে। পাড়ার অনেকে আজও আমার তেজের তারিফে প্রায়শ মেতে ওঠে, গুণ গায়।... Read more
