তিনজন ঘোড়সওয়ার – শামসুর রাহমান তিনজন ঘোড়সওয়ার সারাদিন অনেক এবড়ো খেবড়ো পথ পেরিয়ে ঘোর সন্ধ্যাবেলা এসে পৌঁছলো ঢের পুরনো এক দালানের সামনে। ঘোড়াদের পিঠ থেকে নেমে বেঁধে ওদের গাছের ডালে বেঁধে দালানে প্রবেশ করেই গা ছমছমিয়ে ওঠে তাদের। পরস্পর মুখের... Read more
তিনজন – শামসুর রাহমান জ্যোৎস্নার আদর খেয়ে চিতাবাঘ শোভার ভেতর নিভৃতে ঘুমায়। অকস্মাৎ খস্ খস্ শব্দে লাফাবার ভঙ্গি রচিত, দু’চোখ ফস্সরাসের কণা ছড়ায়, আঁধার শিহরণের নববধূ, পেশী টান টান, জ্যোৎস্না পান ক’রে তার সমগ্র সত্তায় মদিরতা জেগে ওঠে, পরিপক্ক নিশীথের... Read more
তাদের কথা – শামসুর রাহমান বনেদি ঘরের কেউ নই, বলা যায় অত্যন্ত অগণ্য আমি। গোলাপ, রজনীগন্ধা অথবা চামেলি কারো সমতুল্য নই, থাকে না আমার প্রতীক্ষায় কখনো ড্রইংরুমে কোনো ফুলদানি পায়ের নিচেই থাকি সবার এবং পিঁপড়ে, পোকামাকড়েরা মাঝে মাঝে করে খুনসুটি।... Read more
তাকালেই চোখে পড়ে – শামসুর রাহমান কিছুদিন হল কী-যে হয়েছে আমার, কিয়দ্দূরে তাকালেই চোখে পড়ে রঙ বেরঙের নানা চৌকো নক্শা, কখনও বা শাদা অথবা ধূসর গোলাকার বস্তু যেন। মাঝে মাঝে হঠাৎ আমার কাছে ব’সে-থাকা কারও পরিচ্ছন্ন মুখে ফুটে ওঠে গুটি... Read more
তাঁর পেছনে – শামসুর রাহমান নানা জনের নানা কথা, কেউ কারো কথা শুনছে বলে মনে হলো না। শুধু একটা কলরব সারা ঘর জুড়ে। বহু কণ্ঠস্বরের মধ্যে আমার গলার আওয়াজ সাঁঝ বেলার আলোর মতো আবছা। আমি থমকে দাঁড়ানো, জখমি, তেজী ঘোড়ার... Read more
