বুধু – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর মাঠের শেষে গ্রাম, সাতপুরিয়া নাম। চাষের তেমন সুবিধা নেই কৃপণ মাটির গুণে, পঁয়ত্রিশ ঘর তাঁতির বসত, ব্যাবসা জাজিম বুনে। নদীর ধারে খুঁড়ে খুঁড়ে পলির মাটি খুঁজে গৃহস্থেরা ফসল করে কাঁকুড়ে তরমুজে ঐখানেতে বালির ডাঙা, মাঠ করছে... Read more
বুদ্ধভক্তি – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর জাপানের কোনো কাগজে পড়েছি, জাপানি সৈনিক যুদ্ধের সাফল্য কামনা করে যুদ্ধমন্দিরে পূজা দিতে গিয়েছিল। ওরা শক্তির বাণ মারছে চীনকে, ভক্তির বাণ বুদ্ধকে। হুংকৃত যুদ্ধের বাদ্য সংগ্রহ করিবারে শমনের খাদ্য। সাজিয়াছে ওরা সবে উৎকটদর্শন, দন্তে দন্তে ওরা... Read more
বিশ্বের হৃদয়-মাঝে – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বিশ্বের হৃদয়-মাঝে কবি আছে সে কে। কুসুমের লেখা তার বারবার লেখে— অতৃপ্ত হৃদয়ে তাহা বারবার মোছে, অশান্ত প্রকাশব্যথা কিছুতে না ঘোচে। (স্ফুলিঙ্গ) Read more
বিশ্বামিত্র, বিচিত্র এ লীলা – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বিশ্বামিত্র, বিচিত্র এ লীলা! দিবেরাত্রি আহার নিদ্রে ছেড়ে, তপিস্যে আর লড়াই করে শেষে বশিষ্টের গাইটি নিলে কেড়ে। বিশ্বামিত্র তোমার মতো গোরু দুটি এমন দেখি নি বিশ্বে! নইলে একটি গাভী পাবার তরে এত যুদ্ধ... Read more
বিশ্বধরণীর বিপুল কুলায় – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বিশ্বধরণীর এই বিপুল কুলায় সন্ধ্যা– তারি নীরব নির্দেশে নিখিল গতির বেগ ধায় তারি পানে। চৌদিকে ধূসরবর্ণ আবরণ নামে। মন বলে, ঘরে যাব– কোথা ঘর নাহি জানে। দ্বার খোলে সন্ধ্যা নিঃসঙ্গিনী, সম্মুখে নীরন্ধ্র অন্ধকার। সকল... Read more
