হে প্রিয়, দুঃখের বেশে – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হে প্রিয়, দুঃখের বেশে অাস যবে মনে তোমারে আনন্দ ব’লে চিনি সেই ক্ষণে। (স্ফুলিঙ্গ) Read more
হে নিস্তব্ধ গিরিরাজ – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হে নিস্তব্ধ গিরিরাজ, অভ্রভেদী তোমার সংগীত তরঙ্গিয়া চলিয়াছে অনুদাত্ত উদাত্ত স্বরিত প্রভাতের দ্বার হতে সন্ধ্যার পশ্চিমনীড়-পানে দুর্গম দুরূহ পথে কী জানি কী বাণীর সন্ধানে! দুঃসাধ্য উচ্ছ্বাস তব শেষ প্রান্তে উঠি আপনার সহসা মুহূর্তে যেন... Read more
হে উষা, নিঃশব্দে এসো – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হে উষা, নিঃশব্দে এসো, আকাশের তিমিরগুণ্ঠন করে উন্মোচন। হে প্রাণ, অন্তরে থেকে মুকুলের বাহ্য আবরণ করো উন্মোচন। হে চিত্ত, জাগ্রত হও, জড়ত্বের বাধা নিশ্চেতন করে উন্মোচন। ভেদবুদ্ধি-তামসের মোহযবনিকা, হে আত্মন, করে উন্মোচন। (স্ফুলিঙ্গ) Read more
হিমালয় – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর যেখানে জ্বলিছে সূর্য, উঠিছে সহস্র তারা, প্রজ্বলিত ধূমকেতু বেড়াইছে ছুটিয়া। অসংখ্য জগৎযন্ত্র, ঘুরিছে নিয়মচক্রে অসংখ্য উজ্জ্বল গ্রহ রহিয়াছে ফুটিয়া। গম্ভীর অচল তুমি, দাঁড়ায়ে দিগন্ত ব্যাপি, সেই আকাশের মাঝে শুভ্র শির তুলিয়া। নির্ঝর ছুটিছে বক্ষে, জলদ ভ্রমিছে... Read more
হিমাদ্রির ধ্যানে যাহা – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হিমাদ্রির ধ্যানে যাহা স্তব্ধ হয়ে ছিল রাত্রিদিন, সপ্তর্ষির দৃষ্টিতলে বাক্যহীন শুভ্রতায় লীন, সে তুষারনির্ঝরিণী রবিকরস্পর্শে উচ্ছ্বসিতা দিগ্ দিগন্তে প্রচারিছে অন্তহীন আনন্দের গীতা। (স্ফুলিঙ্গ) Read more
