প্রকারভেদ – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাবলাশাখারে বলে আম্রশাখা, ভাই, উনানে পুড়িয়া তুমি কেন হও ছাই? হায় হায়, সখী, তব ভাগ্য কী কঠোর! বাবলার শাখা বলে, দুঃখ নাহি মোর। বাঁচিয়া সফল তুমি, ওগো চূতলতা, নিজেরে করিয়া ভস্ম মোর সফলতা। (কণিকা কাব্যগ্রন্থ) Read more
পেঁচোটাকে মাসি তার – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর পেঁচোটাকে মাসি তার যত দেয় আস্করা, মুশকিল ঘটে তত এক সাথে বাস করা। হঠাৎ চিমটি কাটে কপালের চামড়ায়– বলে সে, “এমনি ক’রে ভিমরুল কামড়ায়।’ আমার বিছানা নিয়ে খেলা ওর চাষ-করা– মাথার বালিশ থেকে তুলোগুলো... Read more
পূজার সাজ – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর আশ্বিনের মাঝামাঝি উঠিল বাজনা বাজি, পূজার সময় এল কাছে। মধু বিধু দুই ভাই ছুটাছুটি করে তাই, আনন্দে দু-হাত তুলি নাচে। পিতা বসি ছিল দ্বারে, দুজনে শুধালো তারে, ‘কী পোশাক আনিয়াছ কিনে। ‘ পিতা কহে, ‘আছে... Read more
পুষ্পচয়িনী – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হে পুষ্পচয়িনী, ছেড়ে আসিয়াছ তুমি কবে উজ্জয়িনী মালিনীছন্দের বন্ধ টুটে। বকুল উৎফুল্ল হয়ে উঠে আজো বুঝি তব মুখমদে। নূপুররণিত পদে। আজো বুঝি অশোকের ভাঙাইবে ঘুম। কী সেই কুসুম যা দিয়ে অতীত জন্মে গণেছিলে বিরহের দিন। বুঝি... Read more
পুরোনো বট – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর লুটিয়ে পড়ে জটিল জটা, ঘন পাতার গহন ঘটা, হেথা হোথায় রবির ছটা, পুকুর-ধারে বট। দশ দিকেতে ছড়িয়ে শাখা কঠিন বাহু আঁকাবাঁকা স্তব্ধ যেন আছে আঁকা, শিরে আকাশ-পট। নেবে নেবে গেছে জলে শিকড়গুলো দলে দলে, সাপের... Read more
