বেণীর মোটরখানা – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বেণীর মোটরখানা চালায় মুখুর্জে। বেণী ঝেঁকে উঠে বলে, “মরল কুকুর যে!’ অকারণে সেরে দিলে দফা ল্যাম্-পোস্টার, নিমেষেই পরলোকে গতি হল মোষটার। যেদিকে ছুটেছে সোজা ওদিকে পুকুর যে– আরে চাপা পড়ল কে? জামাই খুকুর যে। (খাপছাড়া... Read more
বৃষ্টি রৌদ্র – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ঝুঁটি – বাঁধা ডাকাত সেজে দল বেঁধে মেঘ চলেছে যে আজকে সারাবেলা । কালো ঝাঁপির মধ্যে ভরে সুর্যিকে নেয় চুরি করে , ভয় – দেখাবার খেলা । বাতাস তাদের ধরতে মিছে হাঁপিয়ে ছোটে পিছে পিছে... Read more
বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর দিনের আলো নিবে এল, সুয্যি ডোবে – ডোবে। আকাশ ঘিরে মেঘ জুটেছে চাঁদের লোভে লোভে। মেঘের উপর মেঘ করেছে— রঙের উপর রঙ, মন্দিরেতে কাঁসর ঘন্টা। বাজল ঠঙ ঠঙ। ও পারেতে বিষ্টি এল, ঝাপসা... Read more
বুধু – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর মাঠের শেষে গ্রাম, সাতপুরিয়া নাম। চাষের তেমন সুবিধা নেই কৃপণ মাটির গুণে, পঁয়ত্রিশ ঘর তাঁতির বসত, ব্যাবসা জাজিম বুনে। নদীর ধারে খুঁড়ে খুঁড়ে পলির মাটি খুঁজে গৃহস্থেরা ফসল করে কাঁকুড়ে তরমুজে ঐখানেতে বালির ডাঙা, মাঠ করছে... Read more
বুড়ি – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এক যে ছিল চাঁদের কোণায় চরকা – কাটা বুড়ি পুরাণে তার বয়স লেখে সাতশো হাজার কুড়ি । সাদা সুতোয় জাল বোনে সে হয় না বুনন সারা পণ ছিল তার ধরবে জালে লক্ষ কোটি তারা । হেনকালে... Read more
