প্রকারভেদ – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাবলাশাখারে বলে আম্রশাখা, ভাই, উনানে পুড়িয়া তুমি কেন হও ছাই? হায় হায়, সখী, তব ভাগ্য কী কঠোর! বাবলার শাখা বলে, দুঃখ নাহি মোর। বাঁচিয়া সফল তুমি, ওগো চূতলতা, নিজেরে করিয়া ভস্ম মোর সফলতা। (কণিকা কাব্যগ্রন্থ) Read more
পোড়ো বাড়ি শূন্য দালান – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর পোড়ো বাড়ি শূন্য দালান– বোবা স্মৃতির চাপা কাঁদন হুহু করে, মরা-দিনের-কবর-দেওয়া ভিতের অন্ধকার গুমরে ওঠে প্রেতের কন্ঠে সারা দুপুরবেলা। মাঠে মাঠে শুকনো পাতার ঘূর্ণিপাকে হাওয়ার হাঁপানি। হঠাৎ হানে বৈশাখী তার বর্বরতা ফাগুনদিনের যাবার... Read more
পেঁচোটাকে মাসি তার – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর পেঁচোটাকে মাসি তার যত দেয় আস্করা, মুশকিল ঘটে তত এক সাথে বাস করা। হঠাৎ চিমটি কাটে কপালের চামড়ায়– বলে সে, “এমনি ক’রে ভিমরুল কামড়ায়।’ আমার বিছানা নিয়ে খেলা ওর চাষ-করা– মাথার বালিশ থেকে তুলোগুলো... Read more
পূর্ণা – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তুমি গো পঞ্চদশী শুক্লা নিশার অভিসারপথে চরম তিথির শশী। স্মিত স্বপ্নের আভাস লেগেছে বিহ্বল তব রাতে। ক্বচিৎ চকিত বিহগকাকলি তব যৌবনে উঠিছে আকুলি নব আষাঢ়ের কেতকীগন্ধ- শিথিলিত নিদ্রাতে। যেন অশ্রুত বনমর্মর তোমার বক্ষে কাঁপে থরথর। অগোচর... Read more
পূর্ণ মিলন – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নিশিদিন কাঁদি , সখী , মিলনের তরে যে মিলন ক্ষুধাতুর মৃত্যুর মতন । লও লও বেঁধে লও কেড়ে লও মোরে — লও লজ্জা , লও বস্ত্র , লও আবরণ । এ তরুণ তনুখানি লহ চুরি... Read more
