বিসর্জন – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর দুইটি কোলের ছেলে গেছে পর পর বয়স না হতে হতে পুরা দু বছর। এবার ছেলেটি তার জন্মিল যখন স্বামীরেও হারালো মল্লিকা। বন্ধুজন বুঝাইল— পূর্বজন্মে ছিল বহু পাপ, এ জনমে তাই হেন দারুণ সন্তাপ। শোকানলদগ্ধ নারী একান্ত... Read more
বিশ্বের হৃদয়-মাঝে – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বিশ্বের হৃদয়-মাঝে কবি আছে সে কে। কুসুমের লেখা তার বারবার লেখে— অতৃপ্ত হৃদয়ে তাহা বারবার মোছে, অশান্ত প্রকাশব্যথা কিছুতে না ঘোচে। (স্ফুলিঙ্গ) Read more
বিশ্বামিত্র, বিচিত্র এ লীলা – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বিশ্বামিত্র, বিচিত্র এ লীলা! দিবেরাত্রি আহার নিদ্রে ছেড়ে, তপিস্যে আর লড়াই করে শেষে বশিষ্টের গাইটি নিলে কেড়ে। বিশ্বামিত্র তোমার মতো গোরু দুটি এমন দেখি নি বিশ্বে! নইলে একটি গাভী পাবার তরে এত যুদ্ধ... Read more
বিশ্বলক্ষ্মী – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বিশ্বলক্ষ্মী, তুমি একদিন বৈশাখে বসেছিলে দারুণ তপস্যায় রুদ্রের চরণতলে। তোমার তনু হল উপবাসে শীর্ণ, পিঙ্গল তোমার কেশপাশ। দিনে দিনে দুঃখকে তুমি দগ্ধ করলে দুঃখেরি দহনে, শুষ্ককে জ্বালিয়ে ভস্ম করে দিলে পূজার পুণ্যধূপে। কালোকে আলো করলে, তেজ... Read more
বিশ্বধরণীর বিপুল কুলায় – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বিশ্বধরণীর এই বিপুল কুলায় সন্ধ্যা– তারি নীরব নির্দেশে নিখিল গতির বেগ ধায় তারি পানে। চৌদিকে ধূসরবর্ণ আবরণ নামে। মন বলে, ঘরে যাব– কোথা ঘর নাহি জানে। দ্বার খোলে সন্ধ্যা নিঃসঙ্গিনী, সম্মুখে নীরন্ধ্র অন্ধকার। সকল... Read more
