হিং টিং ছট্ – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর স্বপ্ন দেখেছেন রাত্রে হবুচন্দ্র ভূপ — অর্থ তার ভাবি ভাবি গবুচন্দ্র চুপ। শিয়রে বসিয়ে যেন তিনটে বাদঁরে উকুন বাছিতেছিল পরম আদরে — একটু নড়িতে গেলে গালে মারে চড় , চোখে মুখে লাগে তার নখের... Read more
হাস্যদমনকারী গুরু – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হাস্যদমনকারী গুরু– নাম যে বশীশ্বর, কোথা থেকে জুটল তাহার ছাত্র হসীশ্বর। হাসিটা তার অপর্যাপ্ত, তরঙ্গে তার বাতাস ব্যাপ্ত, পরীক্ষাতে মার্কা যে তাই কাটেন মসীশ্বর। ডাকি সরস্বতী মাকে,– “ত্রাণ করো এই ছেলেটাকে, মাস্টারিতে ভর্তি করো হাস্যরসীশ্বর।’... Read more
হাসিরাশি – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নাম রেখেছি বাব্লারানী, একরত্তি মেয়ে। হাসিখুশি চাঁদের আলো মুখটি আছে ছেয়ে। ফুট্ফুটে তার দাঁত কখানি, পুট্পুটে তার ঠোঁট। মুখের মধ্যে কথাগুলি সব উলোটপালোট। কচি কচি হাত দুখানি, কচি কচি মুঠি, মুখ নেড়ে কেউ কথা ক’লে হেসেই... Read more
হাসিমুখে শুকতারা – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হাসিমুখে শুকতারা লিখে গেল ভোররাতে আলোকের আগমনী অাঁধারের শেষপাতে। (স্ফুলিঙ্গ) Read more
হাসি – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সুদূর প্রবাসে আজি কেন রে কী জানি কেবল পড়িছে মনে তার হাসিখানি । কখন নামিয়া গেল সন্ধ্যার তপন , কখন থামিয়া গেল সাগরের বাণী । কোথায় ধরার ধারে বিরহবিজন একটি মাধবীলতা আপন ছায়াতে দুটি অধরের রাঙা... Read more
