অচির বসন্ত হায় এল, গেল চলে – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর অচির বসন্ত হায় এল, গেল চলে– এবার কিছু কি, কবি করেছ সঞ্চয়। ভরেছ কি কল্পনার কনক-অঞ্চলে চঞ্চলপবনক্লিষ্ট শ্যাম কিশলয়, ক্লান্ত করবীর গুচ্ছ। তপ্ত রৌদ্র হতে নিয়েছ কি গলাইয়া যৌবনের সুরা– ঢেলেছ... Read more
যখন এ দেহ হতে রোগে ও জরায় – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর যখন এ দেহ হতে রোগে ও জরায় দিনে দিনে সামর্থ্য ঝরায়, যৌবন এ জীর্ণ নীড় পিছে ফেলে দিয়ে যায় ফাঁকি, কেবল শৈশব থাকে বাকি। বদ্ধ ঘরে কর্মক্ষুব্ধ সংসার–বাহিরে অশক্ত সে... Read more
মোর কিছু ধন আছে সংসারে – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর মোর কিছু ধন আছে সংসারে, বাকি সব ধন স্বপনে নিভৃতস্বপনে। ওগো কোথা মোর আশার অতীত, ওগো কোথা তুমি পরশচকিত, কোথা গো স্বপনবিহারী। তুমি এসো এসো গভীর গোপনে, এসো গো নিবিড় নীরব চরণে... Read more
মেছুয়াবাজার থেকে পালোয়ান চারজন – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর মেছুয়াবাজার থেকে পালোয়ান চারজন পরের ঘরেতে করে জঞ্জাল-মার্জন। ডালায় লাগিয়ে চাপ বাক্সো করেছে সাফ, হঠাৎ লাগালো গুঁতো পুলিসের সার্জন। কেঁদে বলে, “আমাদের নেই কোনো গার্জন, ভেবেছিনু হেথা হয় নৈশবিদ্যালয়– নিখর্চা জীবিকার বিদ্যা-উপার্জন।’ (খাপছাড়া... Read more
মৃত্যুদূত এসেছিল হে প্রলয়ংকর, অকস্মাৎ – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর মৃত্যুদূত এসেছিল হে প্রলয়ংকর, অকস্মাৎ তব সভা হতে। নিয়ে গেল বিরাট প্রাঙ্গণে তব; চক্ষে দেখিলাম অন্ধকার; দেখিনি অদৃশ্য আলো আঁধারের স্তরে স্তরে অন্তরে অন্তরে, যে আলোক নিখিল জ্যোতির জ্যোতি; দৃষ্টি মোর ছিল... Read more
