কৃপণা – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এসেছিনু দ্বারে ঘনবর্ষণ রাতে, প্রদীপ নিবালে কেন অঞ্চলাঘাতে। কালো ছায়াখানি মনে পড়ে গেল আঁকা, বিমুখ মুখের ছবি অন্তরে ঢাকা, কলঙ্করেখা যেন চিরদিন চাঁদ বহি চলে সাথে সাথে। কেন বাধা হল দিতে মাধুরীর কণা হায় হায়, হে... Read more
কৃতীর প্রমাদ – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর টিকি মুণ্ডে চড়ি উঠি কহে ডগা নাড়ি, হাত-পা প্রত্যেক কাজে ভুল করে ভারি। হাত-পা কহিল হাসি, হে অভ্রান্ত চুল, কাজ করি আমরা যে, তাই করি ভুল। (কণিকা কাব্যগ্রন্থ) Read more
কুসুমের শোভা – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কুসুমের শোভা কুসুমের অবসানে মধুরস হয়ে লুকায় ফলের প্রাণে (স্ফুলিঙ্গ) Read more
কুয়াশার আক্ষেপ – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ‘কুয়াশা, নিকটে থাকি, তাই হেলা মোরে— মেঘ ভায়া দূরে রন, থাকেন গুমরে!’ কবি কুয়াশারে কয়, শুধু তাই না কি? মেঘ দেয় বৃষ্টিধারা, তুমি দাও ফাঁকি। (কণিকা কাব্যগ্রন্থ) Read more
কুমারসম্ভবগান – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর যখন শুনালে, কবি, দেবদম্পতিরে কুমারসম্ভবগান, চারি দিকে ঘিরে দাঁড়ালো প্রমথগণ—শিখরের ‘পর নামিল মন্থর শান্ত সন্ধ্যামেঘস্তর স্থগিত-বিদ্যুৎ-লীলা, গর্জনবিরত, কুমারের শিখী করি পুচ্ছ অবনত স্থির হয়ে দাঁড়াইল পার্বতীর পাশে বাঁকায়ে উন্নত গ্রীবা। কভু স্মিতহাসে কাঁপিল দেবীর ওষ্ঠ, কভু... Read more
