কেন – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর জ্যোতিষীরা বলে, সবিতার আত্মদান-যজ্ঞের হোমাগ্নিবেদিতলে যে জ্যোতি উৎসর্গ হয় মহারুদ্রতপে এ বিশ্বের মন্দিরমণ্ডপে, অতিতুচ্ছ অংশ তার ঝরে পৃথিবীর অতিক্ষুদ্র মৃৎপাত্রের ‘পরে। অবশিষ্ট অমেয় আলোকধারা পথহারা, আদিম দিগন্ত হতে অক্লান্ত চলেছে ধেয়ে নিরুদ্দেশ স্রোতে। সঙ্গে সঙ্গে ছুটিয়াছে... Read more
কেউ চেনা নয় – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কেউ চেনা নয় সব মানুষই অজানা। চলেছে আপনার রহস্যে আপনি একাকী। সেখানে তার দোসর নেই। সংসারের ছাপমারা কাঠামোয় মানুষের সীমা দিই বানিয়ে। সংজ্ঞার বেড়া-দেওয়া বসতির মধ্যে বাঁধা মাইনের কাজ করে সে। থাকে সাধারণের চিহ্ন... Read more
কে বলে সব ফেলে যাবি – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কে বলে সব ফেলে যাবি মরণ হাতে ধরবে যবে। জীবনে তুই যা নিয়েছিস মরণে সব নিতে হবে। এই ভরা ভাণ্ডারে এসে শূন্য কি তুই যাবি শেষে। নেবার মতো যা আছে তোর ভালো... Read more
কে – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর আমার প্রাণের ‘পরে চলে গেল কে বসন্তের বাতাসটুকুর মতো ! সে যে ছুঁয়ে গেল নুয়ে গেল রে, ফুল ফুটিয়ে গেল শত শত । সে চলে গেল , বলে গেল না , সে কোথায় গেল ফিরে এল... Read more
কৃষ্ণকলি – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কৃষ্ণকলি আমি তারেই বলি, কালো তারে বলে গাঁয়ের লোক। মেঘলাদিনে দেখেছিলেম মাঠে কালো মেয়ের কালো হরিণ-চোখ। ঘোমটা মাথায় ছিলনা তার মোটে, মুক্তবেণী পিঠের ‘পরে লোটে। কালো? তা সে যতই কালো হোক, দেখেছি তার কালো হরিণ-চোখ। ঘন... Read more
