দ্বিধা – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এসেছিলু তবু আস নাই, তাই জানায়ে গেলে সমুখের পথে পলাতকা পদ-পতন ফেলে। তোমার সে উদাসীনতা উপহাসভরে জানালো কি মোর দীনতা। সে কি চল-করা অবহেলা, জানি না সে- চপল চরণ সত্য কি ঘাসে ঘাসে গেল উপেক্ষা মেলে।... Read more
দ্বিতীয় সর্গ – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর “এত কাল হে প্রকৃতি করিনু তোমার সেবা, তবু কেন এ হৃদয় পূরিল না দেবি? এখনো বুকের মাঝে রয়েছে দারুণ শূন্য, সে শূন্য কি এ জনমে পূরিবে না আর? মনের মন্দির মাঝে প্রতিমা নাহিক যেন, শুধু... Read more
দ্বারে – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর একা তুমি নিঃসঙ্গ প্রভাতে, অতীতের দ্বার রুদ্ধ তোমার পশ্চাতে। সেথা হল অবসান বসন্তের সব দান, উৎসবের সব বাতি নিবে গেল রাতে। সেতারের তার হল চুপ, শুষ্কমালা, ভষ্মশেষ দগ্ধ গন্ধধূপ। কবরীর ফুলগুলি ধূলিতে হইল ধূলি, লজ্জিত সকল... Read more
দ্বার খোলা ছিল মনে – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর দ্বার খোলা ছিল মনে, অসর্তকে সেথা অকস্মাৎ লেগেছিল কী লাগিয়া কোথা হতে দুঃখের আঘাত; সে লজ্জায় খুলে গেল মর্মতলে প্রচ্ছন্ন যে বল জীবনের নিহিত সম্বল। ঊর্ধ্ব হতে জয়ধ্বনি অন্তরে দিগন্তপথে নামিল তখনি, আনন্দের... Read more
দোতলায় ধুপ্ধাপ্ – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর দোতলায় ধুপ্ধাপ্ হেমবাবু দেয় লাফ, মা বলেন, একি খেলা ভূতের নাচন নেচে? নাকি সুরে বেলা হেমা, “চলতে যে পারিনে, মা, সকালে সর্দি লেগে যেমনি উঠেছি হেঁচে অমনি যে খচ্ করে পা আমার মচ্কেছে।’ (খাপছাড়া কাব্যগ্রন্থ) Read more
