পুনর্মিলন – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কিসের হরষ কোলাহল শুধাই তোদের, তোরা বল্। আনন্দ-মাঝারে সব উঠিতেছে ভেসে ভেসে আনন্দে হতেছে কভু লীন– চাহিয়া ধরণী-পানে নব আনন্দের গানে মনে পড়ে আর-এক দিন। সে তখন ছেলেবেলা–রজনী প্রভাত হলে, তাড়াতাড়ি শয্যা ছাড়ি ছুটিয়া যেতেম চলে;... Read more
পুতুল ভাঙা – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সাত – আটটে সাতাশ ‘, আমি বলেছিলাম বলে গুরুমশায় আমার ‘পরে উঠল রাগে জ্বলে । মা গো , তুমি পাঁচ পয়সায় এবার রথের দিনে সেই যে রঙিন পুতুলখানি আপনি দিলে কিনে খাতার নিচে ছিল ঢাকা... Read more
পুণ্যের হিসাব – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সাধু যবে স্বর্গে গেল, চিত্রগুপ্তে ডাকি কহিলেন, “আনো মোর পুণ্যের হিসাব।” চিত্রগুপ্ত খাতাখানি সম্মুখেতে রাখি দেখিতে লাগিল তার মুখের কী ভাব। সাধু কহে চমকিয়া, “মহা ভুল এ কী! প্রথমের পাতাগুলো ভরিয়াছ আঁকে, শেষের পাতায় এ... Read more
পুঁটু – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর চৈত্রের মধ্যাহ্নবেলা কাটিতে না চাহে। তৃষাতুরা বসুন্ধরা দিবসের দাহে। হেনকালে শুনিলাম বাহিরে কোথায় কে ডাকিল দূর হতে, “পুঁটুরানী, আয়।” জনশূন্য নদীতটে তপ্ত দ্বিপ্রহরে কৌতুহল জাগি উঠে স্নেহকণ্ঠস্বরে। গ্রন্থখানি বন্ধ করি উঠিলাম ধীরে, দুয়ার করিয়া ফাঁক দেখিনু... Read more
পিস্নি – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কিশোরগাঁয়ের পুবের পাড়ায় বাড়ি পিস্নি বুড়ি চলেছে গ্রাম ছাড়ি। একদিন তার আদর ছিল, বয়স ছিল ষোলো, স্বামী মরতেই বাড়িতে বাস অসহ্য তার হল। আর-কোনো ঠাঁই হয়তো পাবে আর-কোনো এক বাসা, মনের মধ্যে আঁকড়ে থাকে অসম্ভবের আশা।... Read more
