প্রকৃতির খেদ (দ্বিতীয় পাঠ) – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বিস্তারিয়া ঊর্মিমালা, সুকুমারী শৈলবালা অমল সলিলা গঙ্গা অই বহি যায় রে। প্রদীপ্ত তুষাররাশি, শুভ্র বিভা পরকাশি ঘুমাইছে স্তব্ধভাবে গোমুখীর শিখরে। ফুটিয়াছে কমলিনী অরুণের কিরণে। নির্ঝরের এক ধারে, দুলিছে তরঙ্গ-ভরে ঢুলে ঢুলে পড়ে জলে... Read more
প্রকাশিতা – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর আজ তুমি ছোটো বটে, যার সঙ্গে গাঁঠছড়া বাঁধা যেন তার আধা। অধিকারগর্বভরে সে তোমারে নিয়ে চলে নিজঘরে। মনে জানে তুমি তার ছায়েবানুগতা– তমাল সে, তার শাখালগ্ন তুমি মাধবীর লতা। আজ তুমি রাঙাচেলি দিয়ে মোড়া আগাগোড়া, জড়োসড়ো... Read more
প্রকারভেদ – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাবলাশাখারে বলে আম্রশাখা, ভাই, উনানে পুড়িয়া তুমি কেন হও ছাই? হায় হায়, সখী, তব ভাগ্য কী কঠোর! বাবলার শাখা বলে, দুঃখ নাহি মোর। বাঁচিয়া সফল তুমি, ওগো চূতলতা, নিজেরে করিয়া ভস্ম মোর সফলতা। (কণিকা কাব্যগ্রন্থ) Read more
পোড়ো বাড়ি শূন্য দালান – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর পোড়ো বাড়ি শূন্য দালান– বোবা স্মৃতির চাপা কাঁদন হুহু করে, মরা-দিনের-কবর-দেওয়া ভিতের অন্ধকার গুমরে ওঠে প্রেতের কন্ঠে সারা দুপুরবেলা। মাঠে মাঠে শুকনো পাতার ঘূর্ণিপাকে হাওয়ার হাঁপানি। হঠাৎ হানে বৈশাখী তার বর্বরতা ফাগুনদিনের যাবার... Read more
পেঁচোটাকে মাসি তার – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর পেঁচোটাকে মাসি তার যত দেয় আস্করা, মুশকিল ঘটে তত এক সাথে বাস করা। হঠাৎ চিমটি কাটে কপালের চামড়ায়– বলে সে, “এমনি ক’রে ভিমরুল কামড়ায়।’ আমার বিছানা নিয়ে খেলা ওর চাষ-করা– মাথার বালিশ থেকে তুলোগুলো... Read more
