প্রতিনিধি – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বসিয়া প্রভাতকালে সেতারার দুর্গভালে শিবাজি হেরিলা এক দিন– রামদাস গুরু তাঁর ভিক্ষা মাগি দ্বার দ্বার ফিরিছেন যেন অন্নহীন। ভাবিলা, এ কী এ কাণ্ড! গুরুজির ভিক্ষাভাণ্ড– ঘরে যাঁর নাই দৈন্যলেশ! সব যাঁর হস্তগত, রাজ্যেশ্বর পদানত, তাঁরো নাই... Read more
প্রতিধ্বনি – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর অয়ি প্রতিধ্বনি, বুঝি আমি তোরে ভালোবাসি, বুঝি আর কারেও বাসি না। আমারে করিলি তুই আকুল ব্যাকুল, তোর লাগি কাঁদে মোর বীণা। তোর মুখে পাখিদের শুনিয়া সংগীত, নির্ঝরের শুনিয়া ঝর্ঝর, গভীর রহস্যময় অরণ্যের গান, বালকের মধুমাখা স্বর,... Read more
প্রতাপের তাপ – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ভিজা কাঠ অশ্রুজলে ভাবে রাত্রিদিবা, জ্বলন্ত কাঠের আহা দীপ্তি তেজ কিবা। অন্ধকার কোণে পড়ে মরে ঈর্ষারোগে— বলে, আমি হেন জ্যোতি পাব কী সুযোগে। জ্বলন্ত অঙ্গার বলে, কাঁচা কাঠ ওগো, চেষ্টাহীন বাসনায় বৃথা তুমি ভোগো। আমরা... Read more
প্রজাপতি – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সকালে উঠেই দেখি প্রজাপতি একি আমার লেখার ঘরে, শেলফের ‘পরে মেলেছে নিস্পন্দ দুটি ডানা– রেশমি সবুজ রঙ, তার ‘পরে সাদা রেখা টানা। সন্ধ্যাবেলা বাতির আলোয় অকস্মাৎ ঘরে ঢুকে সারারাত কী ভেবেছে কে জানে তা– কোনোখানে হেথা... Read more
প্রচ্ছন্ন পশু – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সংগ্রামমদিরাপানে আপনা-বিস্মৃত দিকে দিকে হত্যা যারা প্রসারিত করে মরণলোকের তারা যন্ত্রমাত্র শুধু, তারা তো দয়ার পাত্র মনুষ্যত্বহারা! সজ্ঞানে নিষ্ঠুর যারা উন্মত্ত হিংসায় মানবের মর্মতন্তু ছিন্ন ছিন্ন করে তারাও মানুষ বলে গণ্য হয়ে আছে! কোনো নাম... Read more
